Featured Post

কোলকাতার কলেজে ভর্তি কি ভাবে হবেন এবং ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পর্কে তথ্য গুলি জেনেনিন

List of admission process in Kolkata Colleges উচ্চমাধ্যমিকের ফলাফল বের হওয়ার সাথে সাথে  শুরু হয়ে গেছে কলেজে বিশ্ববিদ্যালয়ে ফর্ম ফিল...

September 9, 2014

August 27, 2014

CHHINNABEENA- Rabindra Sangeet By Indrajit Gangopadhyay(PUJA Special songs )
Om Namahshivaya Films

CHHINNABEENA(ছিন্ন-বীনা)
Singer  Indrajit Gangopadhyay 
@ADutta Advertisement First Time Fist Look at Internet song release  28-08-2014 
একটি দরিদ্র ছেলে মা বাবাকে হারিয়েও , অনাথ আশ্রমে থেকে বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথের গানে নিজেকে সমর্পিত করে দেওয়াই ছিন্ন-বীনা। 
Rabindra Sangeet By Indrajit Gangopadhyay 
Download 
তুমি কবিগুরুর কথাগুলো কত প্রাণ দিয়ে ব্যাক্ত কর 

সন্তান মায়ের কাছে সারা জীবনে ছোট থাকে 


July 4, 2014

'' ইতিহাসের অন্তরালে ভারতকেশরী শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী'' Mystery& History of Shyama Prasad Mukherjee
Namsker, " অন্যায়ের প্রতিবাদ করো, প্রতিরোধ করো , প্রয়োজনে নাও প্রতিশোধ। "
বাংলার বাঘ স্যার আশুতোষ মুখার্জীর সুযোগ্য সন্তান ছিলেন ভারতকেশরী ডাঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী । তিনি একধারে যেমন ছিলেন রাজনেতিক আর এক দিকে ছিলেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ , তিনি ভারতের বিভিন্ন উচ্চপদস্ত সংস্তার
সভাপতি, সদস্য, চেয়ারম্যান হিসাবেও ছিলেন। তিনি যেমন রাজনেতিক , শিক্ষাবিদ ছিলেন তদ্রূপ ছিলেন একনিষ্ঠ সমাজ , ধর্ম, সাহিত্যসেবক ছিলেন। 



তাঁহাকে যদিও বলা হয় “হিন্দুনেতা” হিসাবে তথাপিও সমাজসেবার সময় তিনি হিন্দু-মুসলিম বিভেদ দেখিতেন না। তাঁহার সাহায্য পেয়ে সুস্থ এবং প্রতিষ্ঠা লাভ করেছিলেন বিদ্রহী কবি নজরুল ইসলাম , পুর্ব্বাংলার কবি জসিমুদ্দিন প্রভৃতি গুণীজনেরা । 


৫০ মন্বন্তরের সময় যখন লক্ষ লক্ষ মানুষ খাদ্যের অভাবে মারা যাচিলেন তখন মুসলিম লীগের সরকার ছিল বাংলাতে ,তাই হিন্দুদের জন্য নাম মাত্র ব্যবস্থা হয়েছিলো , সুতরাং ডাঃ মুখার্জীর একান্ত প্রচেষ্টাই তৈরী হল “বেঙ্গল রিলিফ কমিটি” এবং তাতে হিন্দু-মুসলিম নির্বিশেষে সকলেই সাহায্য পেলেন ।

ডাঃ মুখার্জীর জীবনের সবথেকে বড় অবদান হল যা অকৃতজ্ঞ বাঙালীরা অবহেলার চোখে ফেলেরেখেছে সেটা হল “পশ্চিমবঙ্গকে পাকিস্থানের কবলথেকে বাঁচিয়ে আনা” । যখন ইংরাজ চক্রান্ত , মুসলিম লীগের চক্রান্ত এবং জাতীয় নেতাদের গদীর লোভের বসে ভারত বিভাজন হচ্ছে । জিন্নার পাকিস্থান দাবিতে সকলেই যখন নতি স্বীকার করে নিয়েছিল, যেই সময় ১৯৪১ গান্ধীজী ফতোয়া দিয়েছিলে যে বাংলার জনগণ যাতে জনগনণায় অংশ গ্রহণ না করেন । অথচ মুসলিম লীগের নির্দেশ ছিল যে বাংলার প্রতিটি মুসলিম নাগারিক যাতে জনগনণায় অংশ নেয়, তখন ডাঃ মুখার্জীর বিপদের আঁচ পেয়ে বাংলার নেতাদের বুঝানোর চেষ্টাও করেছিলেন কিন্তু ঐ সকল কথা বুঝেও গদীর লোভের বসে সকলে মুখ বন্ধ রাখলেন , ফলসরূপ বিপদের আঁচ সত্যতাই প্রকাশ পেলো । মুসলিম জনসংখ্যা ৫৮% হল , আর ফলে বাংলার বিভাজন নিয়ে আগুন আরও তীব্র হয়ে উঠলো । সুরু হল বৃহতর পাকিস্থানের পরিকল্পনা । কিন্তু ডাঃ মুখার্জীর থামবার পাত্র ছিলেন না তিনি বাংলার সকল জেলা ভিত্তিক পরিসংখ্যা তথ্য দেখিয়ে দাবী করলেনযদি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চল পাকিস্থানে যাবে তা হলে বাংলার হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চল পাকিস্থানে কেন যাবে” তিনি তীব্র বিরোধ শুরু করিলেন ,তাঁর যুক্তি কে তৎকালিন ইংরাজ সরকারও অস্বীকার করিতে পারেনি । আর এর ফলসরূপ আজ পশ্চিমবঙ্গ ভারতের হয়ে থাকে। অথচ পশ্চিমবঙ্গের এই স্রষ্টা কে অনেকই চেনেন না , আর জানে তারা তারা এই সত্যকে অস্বীকার করে। তাই বলা বাহুল্য যে বাংঙ্গালী চিরকালে অকৃতজ্ঞ।
ডাঃ মুখার্জীর ১৯৫২ সনে দক্ষিণ কলকাতা কেন্দ্রর থেকে সংসদে নির্বাচিত হন। তিনি ছিলেন ভারতের জাতীয়তাবাদী আখন্ডতার প্রতীক, তাই তিনি কাশ্মীরের ৩৭০ ধারা সম্পর্কে বলেছিলেন “"Ek desh mein do Vidhan, do Pradhan aur Do Nishan nahi challenge" । তাই তিনি ১৯৫৩ সনে কাশ্মীরের উদ্দেশে রওনা দেন । কিন্তু ভারত থেকে কাশ্মীরে প্রবেশ করার আদেশ না থাকার অপরাধের জন্য তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী আব্দুলার নির্দেশে ডাঃ মুখার্জীকে ১১ মে ১৯৫৩ সনে গ্রেফতার করা হয় । কারাগারে তাঁহার শারীরিক আসুস্থতার জন্য তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় । কিন্তু সেখানে তাঁহার বারন করা সত্যেও তাঁহার উপর ভুল ইঞ্জেক্সন দেওয়া হয়েছিলো। তাঁহার ফলে কিছু অজানা কারনে রহস্যময় পরিস্থিতিতে ডাঃ মুখার্জীর মৃত্যু ঘটে ভুল চিকিৎসা বা বিনা চিকিৎসার কারনে । 

হেফাজতে তাঁর মৃত্যু সারা দেশে ব্যাপক সন্দেহ উত্থাপিত হয় ও স্বাধীন তদন্ত জন্য দাবী করেন জওয়াহারলাল নেহেরু র মা, Jogmaya দেবী, সঙ্গে আন্তরিক অনুরোধ করেন .কারন নেহেরু ছিলেন ভারত সরকারের মাষ্টার মাইন্ড ।তাই ডঃ মুখার্জী মৃত্যুর পিছনে কোন রহস্য ছিল ঘোষণা করা সারা দেশ জানতে চাইছিল . কিন্তু Jogmaya দেবী দাবি নেহরু এর উত্তর গ্রহণ এবং একটি নিরপেক্ষ তদন্ত সেটিং আপ অনুরোধ গ্রহণ করা হয়নি. তাই এ কথা বলা যেতে পারে নেহেরুর উপেক্ষা এবং কোন তদন্ত কমিশন গঠন না করার ফলে মুখার্জী মৃত্যুর তাই কিছু বিতর্কের একটি বিষয় রয়ে যায়.। তাই প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ী বলেছিলেন “- "Death of Dr.SP Mookherji was a "Nehru Conspiracy". 

আজও বাঙ্গালীর হৃদয় খুজে বেড়ায় ডাঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীর মতো একজন মানুষ, তিনি বালিতেন
" অন্যায়ের প্রতিবাদ করো, প্রতিরোধ করো , প্রয়োজনে নাও প্রতিশোধ। "
Atal Bihari Vajayee [2004] - "Death of Dr.SP Mookherji was a "Nehru Conspiracy". 

LK.Advani [2011] - "Death of SP.Mookherji is still a Mystery.No Enquiry was conducted". 
লেখাটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন। সকলকে জানতে সুযোগ কোরে দিন। ধন্যবাদ#PeaceofMindAurobindaDUTTAঅরবিন্দদত্ত.
My FB Page- https://www.facebook.com/aurobindadutta21


May 29, 2014

৩৭০ নং ধারা কি রদ করা যায়?  The Act 370 !!! About article 370
Namsker,
আমার মতে, যা নিয়ম দেখছি এই অনুচ্ছেদ বিলোপ করা অসম্ভব।
ঐতিহাসিকরা মনে করেন, এই ধারা একটা অন্তর্বর্তী ব্যবস্থা৷ স্বায়ত্তশাষনের ধারা ধীরে ধীরে ক্রমশই ক্ষীণ হয়ে আসছে৷ তখন কেন্দ্রের হাতে ছিল প্রতিরক্ষা, পররাষ্ট্র, যোগাযোগ ইত্যাদি৷ এখন তার পরিসর অনেক ব্যাপক৷ আইন বিশেষজ্ঞরা অবশ্য মনে করেন, ভারতীয় সংবিধানে কাশ্মীর সংক্রান্ত ৩৭০ নং ধারা রদ করার প্রক্রিয়া সহজ নয়৷ সংবিধান সংশোধনের ক্ষমতা আছে সংসদের৷ রাষ্ট্রপতি বিজ্ঞপ্তি জারি করে তা সংশোধন করতে পারেন৷ অবশ্য তা রাজ্যের গণপরিষদের অনুমোদন সাপেক্ষে৷ এছাড়া এটা কেন্দ্র ও রাজ্যের সম্পর্কের মৌলিক ভিত্তি, তাই তা সংশোধন করা যাবে না৷
My FB Page is-https://www.facebook.com/aurobindadutta21  


কাশ্মীরের বিশিষ্ট আইনবিদ তাসাদাক হোসেনের মতে, ঐ ধারা রদ করতে হলে প্রথমে সংসদের নিম্নকক্ষ লোকসভা এবং উচ্চকক্ষ রাজ্যসভা – উভয় সভাতেই রদ করা সংক্রান্ত প্রস্তাব পাস করাতে হবে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতায়৷
তারপর সেই প্রস্তাবটিকে অনুমোদন পেতে হবে জম্মু-কাশ্মীরের বিধানসভায় দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে, যেটা কার্যত অসম্ভব৷ কোনো রাজ্যের কোনো রাজনৈতিক দল তা করতে চাইলে তাদের অস্তিত্বই হয়ে পড়বে বিপণ্ণ৷ রাজ্যে জ্বলে উঠবে আগুন৷


উল্লেখ্য, ১৯৪৭ সালে দেশভাগের সময় জম্মু-কাশ্মীর ভারতের অঙ্গ ছিল না৷ ছিল মহারাজা হরি সিং-এর স্বাধীন রাজতন্ত্র৷ কিন্তু ১৯৪৭ সালের ২২শে অক্টোবর পাকিস্তানি উপজাতি হানাদার বাহিনী কাশ্মীর আক্রমণ করলে, উপয়ান্তর না দেখে রাজা হরি সিং ভারতের কাছে সেনা সাহায্য চান ‘ইনস্ট্রুমেন্ট অফ অ্যাকসেশন’, অর্থাৎ ভারতভুক্তির শর্তে৷ তাতে জম্মু-কাশ্মীরকে ৩৭০ নং ধারা অনুযায়ী স্বায়ত্তশাসনের বিশেষ মর্যাদা দেওয়ার সংস্থান রাখা হয়৷ এরপর ১৯৫০ সালে জনসংঘের প্রতিষ্ঠাতা ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় নেহেরু মন্ত্রিসভা থেকে ইস্তফা দিয়ে দক্ষিণপন্থী প্রজা পরিষদ গঠন করে আন্দোলন শুরু করেন এর বিরুদ্ধে৷ তাঁদের দাবি ছিল, এক প্রজাতন্ত্রের মধ্যে আরেকটা প্রজাতন্ত্র থাকতে পারে না৷ রাজ্যের শেখ আবদুল্লা সরকার শ্যামাপ্রসাদকে গ্রেপ্তার করে জেলবন্দি করেন৷ তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, তিনি নাকি বিনা পার্মিটে রাজ্যে ঢুকেছেন৷ সে সময়ে বিনা পারমিটে কাশ্মীরে ঢোকা যেত না৷ পরবর্তীতে জেলে বন্দি অবস্থায় মারা যান ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়৷(This Writing Copy From Facebook)upload my blog only knowing and knowledge per pus..thank you
My FB Page is-https://www.facebook.com/aurobindadutta21