December 14, 2018

RBI গভর্নর IAS অফিসার শক্তিকান্ত দাসের অর্থনৈতিক বিষয়ের অভিজ্ঞতা অন্যদেরকেও তাক লাগিয়ে দেবে। অনেক নতুন কিছু জানতে পারবেন পড়ে দেখুন

Who is Shaktikanta Das? Know Shaktikanta Das Biography and Educational Qualification



সবার প্রথমে বলি শক্তিকান্ত দাস বাবুর সম্পর্কে প্রথমে কিছু বলবনা বলে ভেবেছিলাম, কিন্তু সোসিয়েল নেটয়ার্কিং সাইট গুলোতে যেভাবে অর্ধ সত্য খবর পরিকল্পিত ভাবে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছিলো তাই লিখতে বাধ্য হলাম। বাংলায় স্বামী বিবেকানন্দকে নিয়ে একটা অর্ধসত্য কথা বলা হয়  যে “ বিবেকানন্দ বলেছিলেন গীতা পরার থেকে ফুটবল খেলা ভালো”- কিন্তু এই কথার আগে পরে বলে কিছু জিনিষ যে ছিলো তাহা জানার কোন প্রয়োজনবোধ টুকু নেই, ঠিক তেমনি চায়ের আড্ডাতে শক্তিকান্ত দাস বাবুর গল্প হচ্ছে।

কে RBI গভর্নর শক্তিকান্ত দাস ?

RBI গভর্নর শক্তিকান্ত দাসের জন্ম এবং শিক্ষাগত যোগ্যতা-
১৯৫৭ সনের ২৬ সে ফেব্রুয়ারি জন্ম শক্তিকান্ত দাস বাবুর। তিনি প্রথমে ওড়িশা, ভুবনেশ্বরে, পড়াশোনা করেন। তারপর দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্ট স্টিফেনস কলেজ থেকে স্নাতক (বিএ) এবং ইতিহাসে স্নাতকোত্তর (এমএ) উত্তীর্ন হন।  এরপর আইআইএম ব্যাঙ্গালোর( Indian Institute of Management Bangalore) থেকে উন্নত আর্থিক ব্যবস্থাপনা ( advanced financial management ) কোর্স এবং এনআইবিএম (National Institute of Bank Management.) থেকে উন্নয়ন ব্যাংকিং এবং প্রাতিষ্ঠানিক ঋণ (Development banking and institutional credit) ব্যবস্থাপনা কোর্স করেছিলেন। #adutta তিনি আইপিইতে( Institute Public Enterprises)

আর্থিক ব্যবস্থাপনায় (Financial management) পেশাগত প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। তিনি ভারতের প্রশাসনিক স্টাফ কলেজ(Administrative Staff College of India) থেকে মৌলিক প্রকল্প পরিচালনায়(diploma in basic project management)  ডিপ্লোমা অর্জন করেন এবং ভারতীয় ইনস্টিটিউট অফ ম্যানেজমেন্ট ম্যানেজমেন্ট কলকাতা( Indian Institute of Management Calcutta) থেকে মধ্য ক্যারিয়ার স্তরের প্রশিক্ষণের পাশাপাশি হিমাচল প্রদেশ ইনস্টিটিউট অফ পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন এবং ম্যানেজমেন্ট ইনস্টিটিউটের দুটি প্রোগ্রাম বাস্তবায়ন(Himachal Pradesh Institute of Public Administration and the Institute of Management in Government) কোর্স করেন।


ব্যক্তিগত প্রভাব এবং পেশাগত যোগ্যতা-
ভারত সরকার ও তামিলনাড়ু সরকার উভয়ের জন্য দাসবাবু বিভিন্ন পদে দায়িত্বভার গ্রহন করেছিলেন, তিনি একজন  1980 সালের প্রাক্তন IAS অফিসার। দাস বাবু ইউনিয়ন অর্থনৈতিক বিষয়ক সম্পাদক হিসাবে কার্যভারের সময়, দাসবাবুকে ভারতের সর্বাধিক শক্তিশালী সরকারী কর্মচারীদের মধ্যে এক নং হিসাবে গণ্য করা হত। তিনি পূর্বে পঞ্চদশ অর্থ কমিশন( Fifteenth Finance Commission) এবং জি২০(G20) তে ভারতের সরকারি প্রতিনিধিদলের সদস্য ছিলেন। তাছাড়া তিনি একনাগারে-
  1. প্রধান সম্পাদক (শিল্প) Principal Secretary (Industries)
  2. বিশেষ কমিশনার (রাজস্ব) Special Commissioner (Revenue),
  3. সচিব (রাজস্ব) Secretary (Revenue
  4. সচিব (বাণিজ্যিক কর) Secretary (Commercial Taxes),
  5. তামিলনাড়ু রাজ্য এডস কন্ট্রোল সোসাইটি প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক Project director of Tamil Nadu State AIDS Control Society
  6. তামিলনাড়ুর জেলার প্রশাসক ও ডিন্দিগুল ও কচ্ছপুরাম জেলার সংগ্রাহক হিসাবে District magistrate and collector of Dindigul and Kancheepuram districts in the Tamil Nadu Government
  7. ভারত সরকারের কেন্দ্রীয় অর্থনৈতিক বিষয়ক সচিব Union Economic Affairs Secretary
  8. ভারত সরকারের ইউনিয়ন সার বিভাগের সচিব Union Fertilizers Secretary
  9. ভারত সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যয় সম্পর্কিত যুগ্ম সম্পাদক ছিলেন joint secretary in the Department of Expenditure of the Ministry of Finance in the Indian government.
  10. ভারত সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক বিষয়ক বিভাগের বিশেষ সচিব special secretary in the Department of Economic Affairs of the Ministry of Finance. 2015
  11. ভারত সরকারের কেন্দ্রীয় রাজস্ব সচিব, Union Revenue Secretary
Flipkart MarQ Brand Store Offers (Upto 50% Off)

২014 সালের জুন মাসে প্রধানমন্ত্রীর মন্ত্রিপরিষদ (ACC) প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন নিয়োগ কমিটির দ্বারা শক্তিকান্ত দাস বাবুকে কেন্দ্রীয় রাজস্ব সচিব নিযুক্ত করা হয়, তিনি 16 জুন ২014 সচিবের পদ গ্রহণ করেন এবং 31 আগস্ট ২015 এ এটি পদত্যগ করেন।


বর্তমানে তিনি অর্থ কমিশনের সদস্য ৷ 11 ডিসেম্বর 2018 RBI-এর 25তম গভর্নর হলেন শক্তিকান্ত দাসবাবু ৷ আরেকটি গোপন কথা কেন্দ্র সরকার নোটবন্দীর মূল কারিগরকে এবার আরবিআইয়ের গভর্নরের পদেই বসাল ৷ তাছারা একটি মনখারাপ করা বিষয় হল যে দাসবাবু নিয়োগ হওয়ার ২৪ ঘন্টার মধ্যে গুগলে সার্চ করা মুল বিষয় ছিল “দাসবাবু কোন জাতির”( Indians are Searching for 'Shaktikanta Das Caste' on Google After Announcement of New RBI Governor) এদিকে মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই সোমবার আরবিআইয়ের গভর্নর
              Get upto 50% off + get 10% extra off on Adidas       
পদ থেকে পদত্যাগ করেছিলেন উর্জিত প্যাটেল ৷ তাঁর পদত্যাগের প্রভাব পড়েছে ভারতের শেয়ার বাজারেও ৷ শেয়ার বাজারে ধস নামার পাশাপাশি টাকার দামও বেশ কিছুটা পড়েছে ৷ এই পরিস্থিতিতে দায়িত্ব নিয়ে আরবিআইয়ের বিশ্বাসযোগ্যতা ফিরিয়ে আনাটা শক্তিকান্তের কাছে নিঃসন্দেহে বড় চ্যালেঞ্জ ৷ কিন্তু শক্তিকান্ত বাবু নিয়োগ হওয়ার সাথে সাথে আবার শেয়ার বাজার 12 ডিসেম্বর উঠে BSE SENSEX gaining 629 / NIFTY 50 increasing by 188 points.

RBI-এর 25তম গভর্নর হলেন শক্তিকান্ত দাসবাবু নিয়োগের পর বিভিন্ন সামাজিক ব্যক্তিত্ব  বিভিন্ন ধরনের মন্তব্য করেন-

DBS Bank's head of markets for India at Singapore, Ashish Vaidya, saying that previous governors of the RBI with an IAS background, such as Y. Venugopal Reddy and Duvvuri Subbarao had been successful and that Das' "cordial relations with the government likely help policy negotiations."

S. S. Mundra, a former deputy governor of the RBI, said Das was a "good and balanced choice" for RBI governorship and had "a good understanding of the whole of the financial sector both from the ministry and also in his interactions with the RBI."


 Gaurav Shah, a senior vice president at Geojit Financial Services, said "a name like Shaktikanta Das carries track record, experience, credentials, credibility and respect along with him."

A former governor of the Reserve Bank of India, C. Rangarajan, said Das had "experience in economic affairs" and would "make a good governor"

 ..
: Get upto 75% offon Digital Software
Get upto 70% offon Denim Range





সুতরাং আমার মনে হয় RBI গভর্নর  IAS অফিসার শক্তিকান্ত দাসের অর্থনৈতিক বিষয়ের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে তাক লাগাতে পেরেছি। যদি আপনার কাছে আরো কিছু তথ্য বা বক্তব্য থাকে তাহলে আমাকে মেইল মাফরত প্রদান করলে আনন্দিত হব নিশ্চয়। আমার মেইল আইডি- adutta.info@gmail.com


লেখাটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন। 
সকলকে জানতে সুযোগ করে দিন।
তথ্য সহায়তা -  The Times of India, Ministry Twitter, Government of India,  Business Standard, The Economic Times,  The Financial Express,
shaktikanta das rbi , shaktikanta das caste, shaktikanta das biography, shaktikanta das background, shaktikanta das educational qualification


December 12, 2018

“নিশ্চিত ভারত আবার অখণ্ড হবে”- যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম অধ্যক্ষ ঋষি অরবিন্দ ঘোষ


উত্তরং যৎ সমুদ্রস্য হিমাদ্রেশ্চৈব দক্ষিণম।

বৰ্ষং তদ্ ভারতং নাম ভারতী যত্র সস্ততিঃ।

Sri Aruobinbo 

 "যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় হোক রাষ্ট্রপ্রেমের স্থান, হোক ধার্মিক আধ্যাত্মিক রাষ্ট্রবাদী আদর্শ ।"
এক রাষ্ট্রবাদের চিন্তাধারা নিয়ে যখনই এই পুণ্যভূমি ভারতের কল্পনা করি তখনই এই সংস্কৃতের অনাদি 
কালের শ্লোকটির কথা মনে পরে যায়। যার অর্থ উত্তরের উপরিভাগ থেকে দক্ষিণের সমুদ্রের শেষ সীমানা পর্যন্ত বিস্তৃত যেই ভূখণ্ড আছে তাহার নাম ভারত এবং এই ভূমিতে বসবাসকারী প্রত্যেক নাগরিকের ভারতীয়। এই পুণ্যভূমিতে যুগে যুগে বিভিন্ন ক্রান্তিকারী, সাধক মহাপুরুষ জন্ম গ্রহণ করেছিলেন। তাঁহাদের মধ্যেই একজন উজ্জ্বল নক্ষত্র ছিলেন সংগ্রামী নেতা এবং বিশিষ্ট তাত্ত্বিক অরবিন্দ ঘোষ। যিনি সকলের কাছে ঋষি অরবিন্দ ঘোষ নামে খ্যাত।

Aurobinda Dutta
ঠিক সত্তর (৭০) বছর আগে ভারতবর্ষে এক নতুন যুগের সূচনা হয়। শত শত বর্ষের সংঘর্ষ তথা লাখো রাষ্ট্র ভক্তের বলিদানের পরে ১৪-১৫ আগস্টের অর্ধরাত্রিতে আমাদের দেশ স্বাধীনতা পেয়েছিল। ১৫ আগস্টের ভোর ছিল একক ভাবে দেশকে গড়ার স্বপ্ন। একক ভাবে চলার আনন্দ।আর তখন থেকে ১৫ আগস্ট স্বাধীনতা দিবস পালন করে আসছি আমরা। কিন্তু স্বাধীনতার সাথে বিভাজনের বিষাদ নিয়ে চলতে হয়েছে। লক্ষ লক্ষ নির্দোষ দেশবাসীর জন্য এই স্বাধীনতা অভিশাপ হিসাবে আশে। যেখানে পাঞ্জাব এবং বাংলাকে দ্বিখণ্ডিত করে পাকিস্তান পেলো পূর্ব বঙ্গ এবং পশ্চিমবঙ্গ হিন্দুস্থানের অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এই বিভাজন লক্ষ লক্ষ নির্দোষ নর-নারী প্রাণ কেরে নেয়। যাকে বাংলার বুকে গ্রেটার “ক্যালকাটা কিলিং” বলেও জানা যায়।
যুগনায়ক ঋষি অরবিন্দ ঘোষ কলকাতায় ১৮৭২ সালের ১৫ আগস্ট মাতা স্বর্ণলতা দেবীর গর্ভে জন্ম গ্রহণ করেন। তাঁহার পিতা কৃষ্ণধন ঘোষ পেশায় ছিলেন বিলেত ফেরত ডাক্তার। অরবিন্দ ছিলেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ এবং জাতীয়তাবাদী নেতা রাজনারায়ণের দৌহিত্র। বাল্যকাল থেকেই অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র ছিলেন অরবিন্দ। পাশ্চাত্য ভাবধারায় গড়ে তুলার লক্ষ্যে পিতার একান্ত ইচ্ছায় অরবিন্দ উচ্চশিক্ষার জন্য বিলেত চলে যান। কিন্তু আই সি এস পরীক্ষাতে ভালো ফল করার পরেও সুযোগ না পাওয়ায় মন খারাপ হয়ে যায় এবং ভারতে ফিরে এসে তিনি বরোদা কলেজে সহকারী অধ্যক্ষের পদে চাকরি গ্রহণ করেন। এই কলেজে চাকরি করার সময়েই তিনি স্বদেশী আন্দোলনের সাথে যুক্ত হন এবং চিন্তা এবং চেতনায় তিনি চরমপন্থী মতবাদের দিকে ঝুঁকে পরেন। সেই সময় দুই সেরা বাঙ্গালী মনীষী তাঁহাকে বিশেষ ভাবে প্রভাবিত করেছিল। তাঁরা হলেন সাহিত্য সম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এবং বীর সন্ন্যাসী স্বামী বিবেকানন্দ।

স্বামীজির বাঙলা ঐতিহ্য এবং আত্মনির্ভরশীলতার আদর্শ এবং বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘আনন্দমঠের’ আদর্শ এবং উপন্যাস বর্ণিত সন্ন্যাসীদের আত্মত্যাগের আদর্শ ও তাদের সংগ্রামের নিষ্ঠা ও সততা তাঁকে প্রবল ভাবে মুগ্ধ করেছিল। তিনি নিজেকে দেশসেবক সন্তান আনন্দমঠের সন্ন্যাসীদের একজন ভাবতে শুরু করেছিলেন।

তিনি আপোষের রাজনীতিতে বিশ্বাস করতেন না। তাই তিনি কংগ্রেসের কার্যক্রমকে নিন্দা করে বলতেন কংগ্রেস ইংরাজদের সাথে আপোষের হাত মিলিয়েছে। আপোষ করে দেশমাতার মুক্তি আসবে না। এই স্বাধীনতার জন্য চাই শক্ত হাতে রক্ত ছিটিয়ে। তিনি বলতেন বিদেশী শাসনের অবসান ঘটিয়ে এদেশেকে বিজাতীয় সংস্কৃতি মুক্ত করতে হবে। তারপর তিলকের আদর্শ ভিত্তিক দেশের প্রাচীন ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির উপর ভিত্তি করে দেশ গড়তে হবে। যেখানে হবে প্রাচীন ঋষিদের সত্য আদর্শ মত। তিনি বলতেন স্বার্থপরতা, ভীরুতা, পরনির্ভরশীলতা ও ভাবাবেগ ত্যাগ করতে হবে। তবেই জাতির উন্নতি হবে এবং তিনি তাহা অক্ষরে অক্ষরে পালন করার জন্যে তীব্র গতিতে কাজ করে চলছিলেন। তিনি দিনের বেলা কলেজ অধ্যাপক এবং রাত্রিবেলা স্বদেশী আন্দোলনের পরিকল্পনা এবং ট্রেনিং দিয়ে চলছিলেন , সঙ্গে নিয়মিত ‘ইন্দু’ পত্রিকা ( ১৮৯৩-৯৪), যুগান্তর, বন্দেমাতরম, কর্মযোগ, লিখে চলেছিলেন।
তিনি ১৯০৬ সালে কলকাতায় জাতীয় শিক্ষা পরিষদের উদ্যোগে বেঙ্গল ন্যাশনাল কলেজ বা জাতীয় বিদ্যালয় ও বেঙ্গল টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠিত হয়— যে কলেজের প্রথম অধ্যক্ষের দায়িত্ব গ্রহণ করেন  বিপ্লবী অরবিন্দ ঘোষ। বর্তমান যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম অধ্যক্ষ ও বিপিনচন্দ্র পালের বন্দেমাতরম ইংরেজি সংবাদপত্রের সম্পাদক হন। এ পত্রিকায় জনৈক পাঠকের রাজদ্রোহী বক্তব্য প্রকাশিত হলে ১৯০৭ সালে অরবিন্দ ও বিপিনচন্দ্র পাল অভিযুক্ত হন। বিপিনচন্দ্রের ছয়মাস জেল হয় এবং অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় অরবিন্দ মুক্তি পান। পাঁচ বছর (১৯০৬-১৯১০) সক্রিয় রাজনীতিতে জড়িত থেকে তিনি কংগ্রেসের জাতীয়তাবাদী নেতা ও বিপ্লবী দলের নেপথ্য নায়ক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। ১৯৫৫ সালে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় বিলটি প্রস্তাবাকারে পেশের সময় মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ বিধানচন্দ্র রায় সহযোগী সদস্যদের মনে করিয়ে দেন, এই বিদ্যালয় বা কলেজের প্রথম অধ্যক্ষ অরবিন্দকে ‘বন্দেমাতরম’ কাগজের একটি সম্পাদকীয়–র জন্য ব্রিটিশ সরকার গ্রেপ্তার করে। ১৯০৭। তাঁর বিরুদ্ধে সেদিন অভিযোগ ছিল রাষ্ট্রদ্রোহিতার। জেলে যাওয়ার আগে অরবিন্দ কলেজের অধ্যক্ষ পদ ত্যাগ করেন। ছাত্রদের অনুরোধে ২৩ আগস্ট তিনি একটি সংক্ষিপ্ত ভাষণ দেন ইংরেজিতে। তার নির্যাস এখানে তুলে ধরছি— ‘আমার সমস্যায় তোমরা বিচলিত ও পাশে আছো জেনে আমি নিশ্চিন্ত নই এবং আমি নিশ্চিত হব যদি জানি যে, যে কারণে আমি কারাবরণকে অনিবার্য বলে ধরে নিয়েছি সেই কারণের প্রতি তোমাদের সমর্থন আছে। … আমি চলে যাব তিলমাত্র দুঃখিত না হয়ে তোমাদের সমর্থন পেয়ে। আজ যে সম্মান তোমরা আমাকে জানিয়েছ, আমি এই বিশ্বাস নিয়ে বিদায় নিচ্ছি যে, সেই সম্মান তোমরা বিদায়ী অধ্যক্ষকে নয়, জানিয়েছ তোমাদের দেশকে, আমার ভেতরে যে দেশমাতৃকা আছেন তাঁকে। এতদিন আমি যা করেছি, তা ওই মায়েরই সেবা এবং যে সামান্য দুঃখ বরণ করতে চলেছি তা–ও ওই মায়ের সেবার কারণে। …তোমরা পরিশ্রম করো ওই মাকে সমৃদ্ধ করার জন্য, যন্ত্রণা ভোগ করো মায়ের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য— এই আমার একমাত্র পরামর্শ ও উপদেশ তোমাদের জন্য।’ অরবিন্দ চেয়েছিলেন কলকাতায় জাতীয় কলেজ বর্তমান যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় হোক রাষ্ট্রপ্রেমের স্থান, হোক ধার্মিক আধ্যাত্মিক রাষ্ট্রবাদী আদর্শ । *Sri Aurobindo was the first Principal of the Bengal National College.
কিন্তু ১৯০৮ সালে কলকাতার মানিকতলায় বিপ্লবীদের একটি বোমা কারখানা ছিল যেটি ফাঁস হয়ে যায়। বেশ কয়েকজন বিপ্লবী ধরা পরেন তাদের স্বীকারোক্তি থেকে গ্রেফতার করা হয় অরবিন্দ ঘোষকে এবং সঙ্গে আলিপুর বোমা মামলায় জড়িয়ে পরেন। তবে তিনি সেই মামলার থেকে নির্দোষ প্রমাণিত হলেন এবং বেকুসুর খালাস পেলেন মামলার অভিযোগ থেকে। তিনি কোর্টে বলেছিলেন দেশপ্রেম কোন অপরাধ নহে, দেশের স্বাধীনতা আমাদের ন্যায্য অধিকার, এটা চাওয়া অন্যায় নয়।
কিন্তু বোমা মামলার থেকে মুক্তিলাভের পরেই তাঁহার রাজনৈতিক আদর্শ সম্পুর্ন পাল্টে যায়। তিনি রাজনীতির থেকে নিজেকে সম্পুর্ন বিচ্ছিন্ন করে নিলেন। তাঁহার মনে তখন এক প্রত্যয় জন্ম নিয়েছিল যে, এদেশের মানুষ এখনো যথেষ্ট মূল্য দিতে শেখেনি আর ত্যাগ স্বীকার করার জন্যও প্রস্তুত হয়নি। তাই তিনি রাজনীতি থেকে দূরে সরে গিয়ে আধ্যাত্মিক সাধনায় নিজেকে নিমগ্ন করেন। তখন থেকে তিনি ঋষি অরবিন্দ।
একবার ১৯০৫ সালে গুজরাটি লেখক এবং রাজ নেতা কেএম মুংশী ঋষি অরবিন্দ ঘোষকে একটি প্রশ্ন করেছিলেন যে, ‘ কোন ব্যক্তি দেশভক্ত কেমন করে হবে ? কিন্তু বলতে গেলে আজ ১১০ বছর পরেও প্রশ্নটি এবং ঋষি অরবিন্দের উত্তর অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ আছে। তিনি উত্তরে অখণ্ড ভারতের মানচিত্রে হাত দেখিয়ে বলেন- ‘ তুমি কি মানচিত্রটি দেখছো ? ইহা মানচিত্র নহে, ইহা ভারতমাতার চিত্র। ইহার পর্বত, নদী এবং অরণ্য মাতার ভৌতিক শরীর নির্মাণ করে। সকল শিশু মাতার ছোট ছোট শিরা- উপশিরা ……ভারতকে একটি জীবন্ত মার স্বরূপ মানা হোক… তাঁহাকে নববিধান দিয়ে পূজা করা হোক। ১৯০৫ সনের এই উক্তির থেকেই বুঝা যায় যে, অখণ্ড ভারত মাতার রূপের বিচার সেই সময় রোপণ করা হয়।@aurobindadt
ঋষি অরবিন্দ আলিপুর জেল থেকে বের হয়ে সার্বজনীন ভাষণ দেন , উত্তরপাড়াতে ভাষণ দেওয়ার জন্য ইহা ‘ উত্তরপাড়া ভাষণ’ নামে বিখ্যাত, এই ভাষণে তিনি যাহা কিছু বলেছিলেন তাহা বলা হয় তিনি দেবী প্রেরণাতেই হয়েছিল। ভাষণের প্রথমেই তিনি বলেছিলেন, “ আমি ভেবে ছিলাম হিন্দু ধর্ম সম্পর্কে কিছু বলবো। কিন্তু ইহাকে পুরো করতে পারব কিনা আমি জানি না।………… জেলে থাকাকালীন
আমি এই বানী শুনতে পেয়েছি……এখন আমি দেশবাসীকে শুনাতে জেল থেকে বের হয়ে এসেছি…এখন পুরো ভারত রাষ্ট্রকে শুনাতে হবে”। তিনি এই ভাষণে আরও বলেছেন যে, “ যখন বলা হয় ভারত মহান হবে, তখন তাঁহার অর্থ ভারতের সনাতন ধর্ম মহান হবে। যখন ভারত নিজের বিস্তার করবে তার মানে সনাতন আদর্শ(ধর্ম) বিস্তার সারা বিশ্বে করবে। ধর্মের ব্যাখ্যাতেই রাষ্ট্রের ব্যাখ্যা আছে’।…আমি আর মানি না রাষ্ট্রবাদ একটি চিন্তাধারা এবং ধর্ম একটি আস্থা। কিন্তু এখন আমি মানি সনাতন ধর্মই রাষ্ট্রবাদ এবং ইহা সনাতন ধর্মের সাথেই গতিশীল হয়ে উত্থান হবে, যদি সনাতন ধর্মের পতন হয় তবে রাষ্ট্রের পতন নিশ্চিত”। #Adutta
যুগনায়ক ঋষি অরবিন্দ ঘোষ জীবনীকে গভীর ভাবে দেখলে তাঁহার জীবনে একদিকে চরমপন্থী ক্রান্তিকারি আরেকদিকে ভারত ভূমির অখণ্ড রাষ্ট্রবাদের প্রচারক, তার কাছে রাষ্ট্রবাদের অর্থ ছিল ধার্মিক আধ্যাত্মিক রাষ্ট্রবাদ। তার বক্তব্যের বিচার থেকে বুঝা যায় তিনি স্বামী বিবেকানন্দ এবং বঙ্কিমচন্দ্রের ‘বন্দেমাতরম’ থেকে প্রভাবিত হয়ে ‘ জননী জন্মভুমিশ্চ স্বর্গাদপী গরীয়সী’ চিন্তা নিয়ে চলতেন। এই মহান ক্রান্তিকারি- যোগীরাজ ঋষি অরবিন্দ আজ থেকে ৬৩ বছর আগে ১৯৫৭ সনে ভবিষ্যতবাণী করে গেছিলেন যে, “ যতই দেরি হোক না কেন পাকিস্তানের ধ্বংস এবং ভারতের বিলয় নিশ্চিত”।

লেখাটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন। 
সকলকে জানতে সুযোগ করে দিন।
#India #Aurobindo #JadavpurUniversity #Jadavpur Jadavpur University First Principal VC Sri Aurobindo





December 5, 2018

ভারতরত্ন ডঃ আম্বেদকর এবং ইসলাম ধারনা : তিনি হিন্দু সমাজের জন্য ভগবান নীলকন্ঠের সমান ছিলেন



             যুগনায়ক বাবাসাহেব ভিমরাও আম্বেদকার সম্পর্কে যখন কিছু ব্যক্ত করার চেষ্টা করি তখনই মনে হয় বাবা সাহেবের সম্পর্কে যাই বলি না কেন সম্পূর্ণ কথা ব্যক্ত করতে পারি নি। আসলে বাবা সাহেব ছিলেন এমন ব্যাক্তিত্ব যে তাকে বুঝতে গেলে তার জীবনী সাথে সাথে তার কাজকে সুক্ষ্ম ভাবে বিশ্লেষণ করা একান্ত প্রয়োজন। বাস্তবে  বাবাসাহেব সামাজিক সমতা  অগ্রদূত,  বিখ্যাত সমাজ  সংস্কারক এবং সংবিধানের মুখ্য শিল্পী ছিলেন তিনি নিজে জীবন হিন্দু সমাজে বঞ্চিত এবং দলিত(সমাজে পিছয়ে পরা
Mahar is an Indian community
সম্প্রদায়)
 অবহেলিত মানুষের উত্থানের জন্য সমর্পণ করেছিলেন   তার জন্ম  14  ই এপ্রিল 1891 সালের মধ্যপ্রদেশের মহু  গ্রামে  মহার” ( সেই সময় সমাজের সব থেকে অবহেলিত জাতি) পরিবারে জন্মগ্রহণ হয়  তিনি  পিতা রামজী মালোজী সকপাল এবং মাতা ভীমাবাই  এর  14 তম সন্তান ছিলেন  পিতা রামজী সকপাল  নিজের সন্তানকে উন্নত শিক্ষার সাথে সাথে সংস্কৃতি  বিকাশের  জন্য তিনি ছেলেকে ধর্মগ্রন্থ বিশেষ করে রামায়ণ মহাভারত ইত্যাদি অধ্যায়নের উপর বিশেষ জোর দিয়েছিলেন  হয়তো তার জন্য উচ্চ শিক্ষা লাভ করার  পরেও ভারতীয় সভ্যতা ও সংস্কৃতির সাথে তিনি জুড়ে ছিলেন

         1924 সালে সমাজে জাতিগত- অবহেলিত অনগ্রসর শ্রেণির উত্থানের জন্য বহিষ্কৃত অধিকারিণী সভা গঠন করেছিলেন 1926 সালে পাহাড়ের চাদার জলাশয়কে সমাজে বঞ্চিত অনগ্রসরদের জন্য আন্দোলন করে উন্মুক্ত করে দেন 1930 সালে নাসিকের বলরাম মন্দিরে প্রবেশ অধিকার নিয়ে সংঘর্ষ করেছিলেন। ভারতের স্বাধীনতার পর তাকে প্রথম আইনমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব দেওয়া হয়। 1947 সালের 29 শে আগস্ট ভারতীয় সংবিধান সমিতির অধ্যক্ষ হিসেবে নিযুক্ত করা হয় এবং তার অধ্যক্ষতায় নির্মিত পৃথিবীর সর্ববৃহৎ গণতান্ত্রিক সংবিধানকে সংবিধান সভায়
আইন মন্ত্রী হিসাবে
24 শে নভেম্বর 1949 সালে গৃহীত করে
 বাবাসাহেব সংবিধানের গুরুত্ব বুঝাতে গিয়ে 19 শে মার্চ 1933 সালে রাজ্যসভাতে বলেছিলেন, আমরা ভগবানের থাকিবার জন্য মন্দির রূপে সংবিধান বানিয়েছি, কিন্তু ভগবান আসার আগে যদি রাক্ষস এসে মন্দিরে থাকতে লাগে তখন মন্দির ভেঙে ফেলা ছাড়া কোনো আলাদা উপায় থাকে কি ? আমি ইহা অসুরদের জন্য নহে দেবতাদের জন্য বানিয়েছি আমি চাইনা যে ইহার উপর অসুরদের অধিপত্য স্থাপন হোক বাবাসাহেব সামাজিক সমতার জন্য বলেছিলেন দলিতদের জন্য আলাদা মন্দির বানানোর ব্যবস্থা কঠোর বিরোধ করছি সকল মন্দিরে ও অচ্ছুতদের প্রবেশ ন্যায়সঙ্গত তিনি সার্বজনিক স্থানে সকলের জন্য পানীয় জলের ব্যবস্থা করবা আবেদন করেছিলেন তিনি কংগ্রেস, নেহেরু এবং গান্ধী নীতিকে তীব্র সমালোচনাও করেছিলেন
সংবিধান স্মিতির সভাতে 
[He [Gandhi] has never called the Muslims to account even when they have been guilty of gross crimes against Hindus." "Mr. Gandhi has been very punctilious in the matter of condemning any and every act of violence and has forced the Congress, much against its will to condemn it. But Mr Gandhi has never protested against such murders [of Hindus]. Not only have the Musalmans not condemned these outrages, but even Mr Gandhi has never called upon the leading Muslims to condemn them. He has kept silent over them. Such an attitude can be explained only on the ground that Mr Gandhi was anxious to preserve Hindu-Moslem unity and did not mind the murders of a few Hindus] তিনি বারংবার বলতেন, আমাদের মধ্যে থাকা সামাজিক-আর্থিক সমস্যার সঙ্গে লড়াই করতে হবে, পিছু হটলে হবেনা নানা হলে গণতন্ত্র বিপদে পড়ে যাবে তাই নিজেদের মধ্যে থাকা অন্তবিরোধ প্রথমত শেষ করতে হবে।

 
       বাবাসাহেব নিজের লিখিত বই থটস অফ পাকিস্তান বা পাকিস্তান আর পার্টিশন অফ ইন্ডিয়া  বইতে মুসলমান সম্পর্কে নিজের ভাব ব্যক্ত করে বলেছিলেন মুসলমান সমাজ ভৌতিক না, আসলে আধাত্মিক এবং মুসলমানদের তিনটি লক্ষ্য হলো প্রথমত, মুসলমান মানববাদ মানেনা, কেবল মুসলমান ভাতৃত্ববোধের বিশ্বাস রাখে দ্বিতীয়ত, তারা রাষ্ট্রবাদ মানেনা, ধর্মনিরপেক্ষতা, লোকতন্ত্র অথবা দেশভক্তি বলতে নেই
তৃতীয়ত, বুদ্ধিবাদ মানে না কোন ধরনের, যেমন বিশেষ করে মহিলাদের দুর্দশা, নিকাহের নিয়ম তালাক সম্পত্তির অধিকার বিষয়ে উন্নতিকরণ বা বিষয় সম্পর্কে পিছিয়ে আছে”। ["Hinduism is said to divide people and in contrast Islam is said to bind people together. This is only a half-truth. For Islam divides as inexorably as it binds. Islam is a close corporation and the distinction that it makes between Muslims and non-Muslims is a very real, very positive and very alienating distinction. The brotherhood of Islam is not the universal brotherhood of man. It is brotherhood of Muslims for Muslims only. There is a fraternity, but its benefit is confined to those within that corporation. For those who are outside the corporation, there is nothing but contempt and enmity. The second defect of Islam is that it is a system of social self-government and is incompatible with local self-government, because the allegiance of a Muslim does not rest on his domicile in the country which is his but on the faith to which he belongs. To the Muslim ibi bene ibi patria [Where it is well with me, there is my country] is unthinkable. Wherever there is the rule of Islam, there is his own country. In other words, Islam can never allow a true Muslim to adopt India as his motherland and regard a Hindu as his kith and kin."

There is thus a stagnation not only in the social life but also in the political life of the Muslim community of India. The Muslims have no interest in politics as such. Their predominant interest is religion. This can be easily seen by the terms and conditions that a Muslim constituency makes for its support to a candidate fighting for a seat. The Muslim constituency does not care to examine the programme of the candidate. All that the constituency wants from the candidate is that he should agree to replace the old lamps of the masjid by supplying new ones at his cost, to provide a new carpet for the masjid because the old one is torn, or to repair the masjid because it has become dilapidated.]

             বাবাসাহেবকে তাহার জীবনে জাতিগত অনগ্রসর শ্রেনি হওয়ার জন্য অবহেলিতও হয়েছিলেন, কিন্তু প্রথমেই বলেছিলাম হিন্দু সনাতন ধর্মের প্রতি তাহার অগাধ বিশ্বাস আছে , তিনি হিন্দুদের মধ্যে জাতপাত এর বিরোধিতা করেছিলেন কিন্তু তিনি কখনো হিন্দুত্বের বিরোধিতা করেননি তিনি ভারতীয় আদর্শ সংস্কৃতির প্রতি অগাধ আস্থা রেখেছিলেন কিন্তু সামাজিক কুসংস্কার যা সমাজকে দ্বিখন্ডিত করেছিল তাহার তিনি তীব্রভাবে বিরোধিতা করেছিলেনতাই মুসলমান খ্রিস্টান ধর্ম থেকে ধর্ম পরিবর্তন করার প্রস্তাব আসা সত্বেও তিনি 14 ই অক্টোবর   1956 সালে নিজের অনুগামীদের সাথে নিয়ে  নাগপুরে সনাতন আদর্শগত বৌদ্ধ ধর্ম দীক্ষা গ্রহণ করেছিলেন যাতে ভবিষ্যতে তার অনুগামী কোন ভারতীয় আদর্শের প্রতি বিরোধ হয়ে না যায় [Conversion to Islam or Christianity will denationalise the Depressed Classes. If they go to Islam the number of Muslims will be doubled and the danger of Muslim domination also becomes real. The Muslim invaders, no doubt, came to India singing a hymn of hate against the Hindus. … Its (Islam’s) growth is so thick in Northern India that the remnants of Hindu and Buddhist culture are just shrubs. Even the Sikh axe could not fell this oak. Sikhs, no doubt , became the political masters of Northern India, but they did not gain back Northern India to that spiritual and cultural unity by which it was bound to the rest of India before HsuanTsang.” 
From a spiritual point of view, Hindus and Musalmans are not merely two classes or two sects such as Protestants and Catholics or Shaivas and Vaishnavas. They are two distinct species... For them Divinity is divided and with the division of Divinity their humanity is divided and with the division of humanity they must remain divided. There is nothing to bring them in one bosom.”]

              জীবনের অন্তিম দিনে বাবাসাহেব মধুমেয় রোগ হয় 6 ডিসেম্বর 1956 সালে পরলোকগমন করেন বাবাসাহেব এমন এক রাষ্ট্র পুরুষ ছিলেন যে তার জীবন একটি খোলা বইয়ের পাতার মত যিনি সর্বশেষ্ঠ শিক্ষাবিদ, বিচারক এবং লেখক ছিলেন রাজর্ষী ছিলেন তিনি বলেছিলেন "শিক্ষিত হও, সংগঠিত হও সংঘর্ষ করো"। সত্যি বলতে তিনি হিন্দু সমাজের জন্য ভগবান শিবের সমান ছিলেন
লেখাটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন। 
সকলকে জানতে সুযোগ করে দিন।
তথ্য সুত্র সহায়তা - quora.com  অ্যান্ড newslaundry.com
Ambedkar on Islam, আম্বেদকরের জীবনী, ভীম রাও আম্বেদকর, ভারতের দলিত আন্দোলন, ভারতে দলিত আন্দোলন, বাংলায় লেখা আম্বেদকরের উপর বই, ড বি আর আম্বেদকর জীবনী, ভীমরাও আম্বেদকর Ambedkar on Islam,dr babasaheb ambedkar information,B R ambedkar in Bengali